ছাত্রদলের দুই কর্মীর মারধরে আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে শাবিপ্রবি উপাচার্য; তদন্ত ও ডাইনিং ব্যবস্থাপনায় নতুন সিদ্ধান্ত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম ছাত্রদলের দুই কর্মীর মারধরে আহত সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকারকে দেখতে আবাসিক হলে তাঁর কক্ষে যান। আজ রোববার (১৯ জুলাই, ২০২৬) দুপুরে তিনি শিক্ষার্থীর হলে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসার ব্যয়সহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া সকালে তিনি ফোনেও শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।
এ সময় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আগত তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম আহত শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়।
আহত শিক্ষার্থীর সঙ্গে আলাপকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি শিক্ষার্থীর খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি শাহপরান হলের ডাইনিংয়ের খাবারের মান ও সার্বিক পরিবেশ পরিদর্শন করেন। হলের পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে খাবারের গুণগত মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
হলের খাবার ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তনের আভাস দিয়ে উপাচার্য বলেন, শিগগিরই আবাসিক হলের ডাইনিং ব্যবস্থাপনা ‘মেস সিস্টেম’-এর আদলে শিক্ষার্থীদের সরাসরি অংশগ্রহণে পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে দ্রুত একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হবে।
উপাচার্যের হল পরিদর্শনকালে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী প্রক্টর ও তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. বেলাল হোসাইন সিকদার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আল আমিন, শাহপরান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ এবং সহকারী প্রক্টর ও আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মাসুদ আলমসহ হলের সহকারী প্রভোস্টরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

