সিলেটে মুছে ফেলা হচ্ছে ‘জুলাই গ্রাফিতি’, তারেক রহমানের আগমন, শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী জুলাই বিপ্লবের সাবেক সহসমন্বয়ক ফয়সাল হোসাইনের ক্ষোভ প্রকাশ।
সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে আঁকা ‘জুলাই গ্রাফিতি’ মুছে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও সাবেক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সহসমন্বয়ক ফয়সাল হোসাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নগরীর বিভিন্ন দেয়ালে থাকা কিছু রাজনৈতিক ও আন্দোলন-সম্পর্কিত গ্রাফিতি অপসারণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই এটিকে সাধারণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য খুঁজছেন।
একটি ফেসবুক পোস্টে ফয়সাল হোসাইন লেখেন, “সিলেটে জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হচ্ছে। দেশে কি জুলাইয়ের বিরোধী পক্ষ ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে নাকি? নাহলে, জুলাইয়ের গ্রাফিতি কেন মুছে ফেলতেছেন? নাকি জুলাইয়ের গ্রাফিতি ৫-ই আগস্টের কথা মনে করিয়ে দেয়।”
তিনি আরও লেখেন, “জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছতে গিয়ে একদিন আপনি বা আপনারা মুছে যাবেন। কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত জুলাইয়ের স্মৃতিচিহ্ন থাকবে, ইনশাআল্লাহ। কারণ, এই জুলাই বারবার মনে করিয়ে দিবে ফ্যাসিবাদের পতন হয়।”
এদিকে, রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে যে Tarique Rahman-এর সম্ভাব্য সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে নগরীতে কিছু প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলছে। তবে গ্রাফিতি অপসারণের সঙ্গে তার এই সফরের সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না আসায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নগর ব্যবস্থাপনা, রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্ন—সব মিলিয়ে ঘটনাটি একটি বৃহত্তর আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
