পরিবেশ সচেতনতা ও গবেষণায় গুরুত্ব দিয়ে যবিপ্রবিতে ইকো অলিম্পিয়াড ও নবীনবরণ
যবিপ্রবি প্রতিনিধি: সাকিবুল ইসলাম
পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি, গবেষণায় আগ্রহ সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইকো অলিম্পিয়াড ও ফ্রেশার্স রিসেপশন ২০২৬’। পরিবেশবিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা, গবেষণার দিকনির্দেশনা ও নবীন শিক্ষার্থীদের বরণের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহশিক্ষা কার্যক্রম ও জ্ঞান বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব স্টুডেন্টস ইন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রিলেটেড সায়েন্সেসের (আইএএএস) বাংলাদেশ যবিপ্রবি শাখার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ মাহমুদুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান এবং ছাত্র-পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রফিউল হাসান। মূল আলোচক ছিলেন ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মৃণ্ময় বিশ্বাস ও আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মীর মোশাররফ হোসেন।
বক্তারা বলেন, শুধু শ্রেণিকক্ষ ও পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। এর মাধ্যমে জ্ঞান বিনিময়, নেতৃত্বের গুণাবলি, দলগত কাজের দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু নিজেদের ব্যক্তিগত উন্নয়নের কথা ভাবলে চলবে না; দেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার সুযোগ পায়। এসব কার্যক্রম তাদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।”
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ইকো অলিম্পিয়াড। পরিবেশবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য, খাদ্য নিরাপত্তা, জীবপ্রযুক্তি, মৎস্যবিজ্ঞান ও সামুদ্রিক বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৩০টি প্রশ্নে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন পরিবেশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের (EST) শুভ শর্মা। দ্বিতীয় হন মৎস্য ও সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান বিভাগের (FMB) উম্মে সাবিহা জামান শশী এবং তৃতীয় হন পরিবেশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সাদিয়া আক্তার।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সনদ, ইনডোর গাছ ও উপহার দেওয়া হয়। নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং গবেষণাবিষয়ক দিকনির্দেশনার মধ্য দিয়ে আয়োজনটি শেষ হয়।
