
ইবিতে শেষদিনেও উৎসবে মুখর স্বপ্নবিতানের ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব-১৪৩৩’
ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী বৈশাখীয়ানা উৎসব ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উৎসবের তৃতীয় দিনে আধুনিক গান, নাচসহ বিভিন্ন দেশি আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। জানা যায়, ‘তোমায় আড়ঙের রঙ্গ দেখাবো” প্রতিপাদ্যকে সমানে রেখে স্বপ্নবিতানের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো এ অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, উৎসবে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লোকজ সংস্কৃতি প্রদর্শনীর পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের মৃৎশিল্প, হস্তশিল্প ও বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বাহারি ব্যানারে স্টল সাজিয়েছেন। এতে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম, ফরিদপুরের ভেলপুরি ও রসগোল্লাসহ বাহারি দোকান নিয়ে অংশ নিয়েছেন ক্যাম্পাসের তরুণ উদ্যোক্তারা।
এছাড়া চিত্তবিনোদনের জন্য নাগরদোলাসহ
বিভিন্ন আয়োজন দেখা গেছে।
জানা যায়, বৈশাখীয়ানা উৎসবে মোট ৩৩ টি স্টল ও ৫টি স্পন্সর রয়েছে। স্পন্সরকৃত ব্যবসায়ীরা ছাড়াও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জিনিসপত্রের স্টল দিয়েছেন। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে লোকগান ও লোকসংস্কৃতির আয়োজন হয় এবং শেষ দিন ব্যান্ড সংগীত পরিবেশন করা হয়।
স্বপ্নবিতানের সভাপতি সায়েম আহমেদ বলেন, “স্বপ্নবিতান দ্বিতীয়বারের মতো নববর্ষকে বরণ করে নিতে আয়োজন করেছে ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব-১৪৩৩’। তিন দিনব্যাপী এ উৎসব ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে আজ শেষ দিন। আমরা উদ্যোক্তাদের জন্য মেলা এবং সেই সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। গতকাল লোকগান ও লোকসংস্কৃতির আয়োজন ছিল। আজ বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘নীল’ ব্যান্ড। আমাদের সংগঠনের সবাই এই আয়োজন সফল এবং আরও বেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে রাতদিন এক করে পরিশ্রম করছি।”
মেলায় ঘুরতে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এক শিক্ষার্থী বলেন, “গত বছরের ন্যায় এ বছরও বৈশাখীয়ানা উৎসব হওয়ায় খুবই আনন্দিত। এখানে নতুন উদ্যোক্তাদের সুযোগ করে দেওয়া ও বাঙালি সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। এটির ধারাবাহিকতা থাকা উচিত। এই বছর স্বপ্নবিতানের দ্বিতীয় আয়োজন তাদের ধন্যবাদ আমাদের এরকম অনু্ষ্ঠান উপহার দেয়ার জন্য।”
