শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় জাতীয় ছাত্রশক্তি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পৃথক বিবৃতি, তীব্র প্রতিবাদ

Spread the love

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় জাতীয় ছাত্রশক্তি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পৃথক বিবৃতি, তীব্র প্রতিবাদ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, শাবিপ্রবি (সিলেট): শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শাহপরান হলের ক্যান্টিনের খাবারের নিম্নমান নিয়ে অভিযোগ করায় এক সাধারণ শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠন দুটি ঘটনার তীব্র নিন্দা, গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক রাশিদ আবরার ও সদস্য সচিব রিয়াজ হোসেন রিমন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, হলের ক্যান্টিনে পরিবেশনকৃত খাবারের নিম্নমান নিয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকার হলের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে হল প্রভোস্টের কাছে অভিযোগ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান হাসিব তাঁকে প্রভোস্টের কাছে ক্ষমা চাইতে চাপ দেন। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, শিক্ষার্থী ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে তারেক ও হাসিবের নেতৃত্বে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একজন শিক্ষার্থী ক্যান্টিনের খাবারের নিম্নমান নিয়ে কথা বলায় তাঁর ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটিকে সাধারণ সংঘর্ষ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ শাকিল প্রেরিত পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন ও সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্রদল নেতারা ক্যাম্পাসে পুরোনো সহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা সতর্ক করেন, যারা ক্যাম্পাসে ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

পৃথক বিবৃতিতে সংগঠন দুটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসে সহিংসতামুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *