বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে রাবিপ্রবিসাসের ৪র্থ বর্ষে পদার্পন
এনামুল হক, রাবিপ্রবি
বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য সংবাদ প্রচারের লক্ষ্য নিয়ে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠিত হওয়া রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিপ্রবিসাস) তিন বছর পূর্ণ করে ৪র্থ বর্ষে পদার্পণ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয় গণমাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।
২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর রাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে মো. আহ্সান হাবীবকে আহ্বায়ক এবং আবদুল আল মামুনকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্য ছিলেন ত্রয়ী দেব, মো. আয়নুল ইসলাম ও সঞ্চিতা চক্রবর্তী।
পরবর্তীতে একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর রাবিপ্রবিসাসের সাত সদস্যবিশিষ্ট প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি আত্মপ্রকাশ করে। এতে সভাপতি হন মো. আহ্সান হাবীব এবং সাধারণ সম্পাদক হন আবদুল আল মামুন। কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. আয়নুল ইসলাম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সঞ্চিতা চক্রবর্তী এবং অর্থ সম্পাদক আদিত্য চৌধুরী দায়িত্ব পান। সদস্য হিসেবে ছিলেন আকলিমা আক্তার ও ফাইরুজ মেহেদী দ্বীপান্বিতা।
রাবিপ্রবিসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিতে, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে, গবেষণা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ক্রীড়াঙ্গনের পরিবর্তন প্রতিনিয়ত কাজ করে আসছে। পাশাপাশি আবাসন সংকট, হলের খাবারে ভর্তুকি, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগের ব্যাপারেও কাজ করছেন সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
প্রতিষ্ঠার তিন বছরে রাবিপ্রবিসাসের কার্যক্রমে একদিকে যেমন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা রয়েছে, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ও রয়েছে। বস্তুনিষ্ঠতা, সত্যনিষ্ঠা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে রাবিপ্রবির শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরাই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য।
তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে রাবিপ্রবিসাস সভাপতি মোঃ আয়নুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অর্জন, সম্ভাবনা ও সমস্যাকে তুলে ধরার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। আমি আশা করি, সত্য, সততা ও দায়বদ্ধতাকে ধারণ করে এই সংগঠন আগামীতেও ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে কাজ করে যাবে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে।

প্রতিষ্ঠার তিন বছর পূর্তিতে সংগঠনটির সদস্যরা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা আরও জোরদার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
