নিষিদ্ধ আ. লীগের দেশজুড়ে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ইবি ছাত্রদলের
ইবি প্রতিনিধি
নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদল। বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বর থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্রদলের ট্রেন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শেষ সমাপ্ত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রোকনুজ্জামান অর্ক, রাফসান জনি শাওন, তৌহিদুল ইসলাম, আলামিন ইসলাম, নকিবুল ইসলাম অংকন, এনামুল হক পুলকসহ অর্ধ-শতাধিক নেতাকর্মী।
এসময় নেতাকর্মীদের “ছাত্রলীগের চামড়া, তুলে নিব আমরা; শিক্ষা সন্ত্রাস এক সাথে চলে না; ছাত্রলীগের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না; ছাত্রলীগের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও; জিয়ার সৈনিক এক হও লড়াই করো; ছাত্রলীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও; একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর; একশন একশন ডাইরেক্ট একশন ” স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এসময় নেতাকর্মীরা বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সর্বদা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিরুদ্ধে রাজপথে সজাগ থাকবে। যেকোনো ধরনের অপচেষ্টা রুখে দিতে আমরা সর্বদা রাজপথে থাকবো। তাদের কোনো রকম অপচেষ্টাকেই আমরা এক চুল সহ্য করবো না। যেখানে তাদের পাওয়া যাবে, সেখানেই ধোলাই করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কেউ এরপর থেকে আর কোনো ধরনের অপচেষ্টা করার সাহস করবে না।
এসময় তোহিদুল ইসলাম বলেন, “গতকালকে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ওরা বিভিন্ন জায়গায় নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করেছে। এই পাঁয়তারা রুখে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সবসময় সজাগ আছি। কোনো প্রকার অপশক্তি যদি এই শান্তশিষ্ট বাংলাদেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মাঠে আছি, মাঠে থাকবো। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে দেয়া যাবে না। এই সরকার যে লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে, সেই লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করার জন্য, তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল তার কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সবসময় মাঠে সজাগ থাকবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের দালাল ছাত্রলীগকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যদি আপনারা দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করেন, আপনাদেরকে কঠোর হাতে দমন করা হবে। আপনাদেরকে যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানেই আপনাদেরকে ধরে জেলে দেওয়া হবে। আমরা আইন নিজের হাতে তুলে না নিলেও, আমরা আইনের মাধ্যমে আপনাদেরকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবো।

