পরিবেশ সচেতনতায় তরুণদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান, জবিতে গ্রীন ভয়েসের নবীনবরণ

Spread the love

পরিবেশ সচেতনতায় তরুণদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান, জবিতে গ্রীন ভয়েসের নবীনবরণ

জবি প্রতিনিধি

‘শরতের শুভ্র ছোঁয়ায়, নবীনবরণ সবুজের মায়ায়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েসের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সেমিনার কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদী রক্ষা এবং পরিবেশ সচেতনতায় তরুণদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

গ্রীন ভয়েস জবি শাখার সভাপতি নাজনীন আক্তার বৃষ্টির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সদস্য রাকিবুজ্জামান লিখন ও তাসনীম আরা রিফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা ও ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মনিরা জাহান।

গ্রীন ভয়েসের সাবেক সভাপতি রাশেদুজ্জামান লিমন বলেন, “পরিবর্তনের সূচনা হোক নিজের ঘর থেকেই। গ্রীন ভয়েস শুধু পরিবেশ নিয়ে কাজ করে না, এটি একটি পরিবেশবাদী যুব আন্দোলন। এখানে কাজের মাধ্যমে তরুণেরা নেতৃত্ব, দক্ষতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা অর্জনের সুযোগ পান।”

গ্রীন ভয়েসের উপদেষ্টা ড. নাজমুন নাহার বলেন, “বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো বড় সমস্যা এককভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়। এ জন্য সুশাসনের প্রতিটি স্তরে সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন। পরিবেশ রক্ষায় ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সচেতন করতে হবে। এ লক্ষ্যে স্কুলপর্যায়ে প্রামাণ্যচিত্র ও সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরিসহ তরুণদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”

গ্রীন ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, “দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেই চেতনা থেকেই তরুণদের পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। বুড়িগঙ্গাসহ নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায়ও তরুণদের ভূমিকা রাখতে হবে।”

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. শিমুল মোড়ল বলেন, “গ্রীন ভয়েস শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়; এটি একটি চিন্তা, একটি দায়িত্ব এবং সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়। আমরা চাই, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশসচেতন ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে উঠুক।”

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংগঠনটির সাবেক ও বর্তমান নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *