‘আপায় গেছে কোটায়, ভাইয়া যাবে ভাইভায়’- স্লোগানে উত্তাল ইবি

Spread the love

‘আপায় গেছে কোটায়, ভাইয়া যাবে ভাইভায়’- স্লোগানে উত্তাল ইবি

ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সরকারি চাকরির নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রশিবির। এ সময় তাদের ‘আপায় গেছে কোটায়, ভাইয়া যাবে ভাইভায়’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিলে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী এবং সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় চার শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ‘আপায় গেছে কোটায়, ভাইয়া যাবে ভাইভায়’, ‘ভাইভার নামে বাণিজ্য, চলবে না চলবে না’, ‘নব্য কোটার নাম কি, ভাইবা ছাড়া আর কি’, ‘কোটা গেছে যে পথে,ভাইবা যাবে সে পথে’, ‘ভাইবা নামে প্রহসন, মানি না মানবো নাহ’, ‘ভাইবা দিয়ে দলীয়করণ, মানি না মানবো নাহ’, ‘আপায় গেছে দিল্লিতে,ভাইয়া যাবে লন্ডনে’, সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে শাখা শিবির সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হাজারো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই কয়লেও, বর্তমান সরকার আবারও চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। সরকারি চাকরির ভাইভা বোর্ড, এনটিআরসিএ সহ বিভিন্ন নিয়োগে যে বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে, তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে এর সাথে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, বর্তমান সরকার সকল জায়গায় দলীয়করণ করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ভাইবাতে অস্বাভাবিক আকারে মার্ক বৃদ্ধি করেছে। ভাইবাতে এই মার্ক বৃদ্ধি করার মাধ্যমে সকল চাকরিতে তাদের দলীয় কোটায় নিয়োগ দিতে চায়। তারা এই পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। তারা চায় এভাবে ভাইবার মাধ্যমে তাদের দলীয় কোটায় নিয়োগ দেয়ার মাধ্যমে চাকরির লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটাকে একটি সন্ত্রাসবাদ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। সরকারকে চাকরির পরীক্ষার ভাইবার নম্বর বৃদ্ধিসহ যত অনিয়ম আছে সকল অনিয়ম বন্ধ করতে হবে। সরকারকে মেধাবীদের সামনে রেখে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত রোববার সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। এর প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *