শাবিপ্রবিতে পোষ্য কোটার আসন বাড়ানোর প্রস্তাব একাডেমিক কাউন্সিলের সভায়: ‘ক্যাম্পাস উত্তপ্ত করার কৌশল’ অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-এ ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ‘পোষ্য কোটা’ বা ‘সাস্ট কমিউনিটি মেরিট এলোকেশন (SCMA)’-এর আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি এজেন্ডা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
কোটা ও বর্তমান নিয়ম
ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা যায়—
SCMA কোটায় বর্তমানে ২০টি আসন নির্ধারিত
এই কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানরা আবেদন করতে পারে
নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভর্তি দেওয়া হয়
নির্ধারিত আসনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ নেই
কেন বাড়ানোর প্রস্তাব?
বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে কোটার আসন সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আনা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া-
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি বড় অংশ এর বিরোধিতা করছে।
অনেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রসংগঠন কোটা বৃদ্ধির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে
তাদের দাবি, পোষ্য কোটা ইতোমধ্যেই একটি বিশেষ সুবিধা প্রদান করে
আসন সংখ্যা বাড়ানো হলে মেধাভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।শাবিপ্রবি
শিক্ষার্থী আদনান মোহন বলেন, “পোষ্য কোটা বাড়ানো কখনই কাম্য নয়।”
এছাড়া বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনও কোটার সম্প্রসারণের বিরোধিতা করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি অংশ মনে করছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ক্যাম্পাসে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। কেউ কেউ এটিকে “পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাস উত্তপ্ত করার কৌশল” বলেও মন্তব্য করেছেন।
