স্পোর্টস ডেস্ক:
দুই দশকের খেলোয়াড়ি অভিজ্ঞতা শেষে এবার আরামবাগের তরুণ গোলরক্ষকদের গড়ে তুলছেন সাবেক গোলরক্ষক মিটুল হাসান।২০০১ সালে লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবের হয়ে পেশাদার ফুটবলে যাত্রা শুরু করেছিলেন মিটুল হাসান।গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে শুরু হওয়া সেই পথচলা তাঁকে নিয়ে গেছে দেশের ফুটবলের বিভিন্ন পরিচিত ক্লাবে। মাঝে মহাখালী একাদশের হয়ে খেলার পর আরামবাগ ক্রীড়া সংঘে কাটিয়েছেন টানা প্রায় ১০ বছর।
দীর্ঘ খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারে ব্রাদার্স ইউনিয়ন, ঢাকা আবাহনী, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব, বসুন্ধরা কিংস, সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ও রহমতগঞ্জের মতো ক্লাবের গোলপোস্টও সামলেছেন মিটুল হাসান।
বিভিন্ন ক্লাবে খেলার মাধ্যমে অর্জন করেছেন দীর্ঘদিনের ম্যাচ অভিজ্ঞতা ও গোলরক্ষক হিসেবে প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা।সময় বদলেছে, বদলেছে তাঁর ভূমিকা। চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ ফুটবল লীগের দল আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের গোলরক্ষক কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মিটুল হাসান। একসময় যে গোলপোস্ট তিনি নিজে আগলে রাখতেন, এখন সেই গোলপোস্টের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে।তরুণ গোলরক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ম্যাচ পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া, চাপ সামলানো, পজিশনিং ও গোলপোস্ট রক্ষার বিভিন্ন কৌশল নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শেখাচ্ছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য শুধু একজন ভালো গোলরক্ষক তৈরি করা নয়; বরং তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা।মিটুল হাসানের ভাষায়, “ফুটবল আমার জীবন, আর তরুণদের সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়াই এখন আমার লক্ষ্য।”
২০০১ সালে লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবের হয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ নতুন রূপ নিয়েছে। খেলোয়াড় হিসেবে গোলপোস্ট সামলানোর পর এখন কোচ হিসেবে নতুন গোলরক্ষকদের গড়ে তুলছেন মিটুল হাসান। গোলপোস্ট থেকে ডাগআউট—ফুটবলে তাঁর গল্প যেন এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে অভিজ্ঞতা হস্তান্তরের গল্প।
