
ভিত্তিহীন দাবি করে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইবি প্রশাসন
ইবি প্রতিনিধি
গত ৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে বাংলা ট্রিবিউন অনলাইন পত্রিকায় “কর্মচারীর হাতে শিক্ষিকা খুন, বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়(ইবি) কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়।
বিশ্ববিদ্যালয় অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে জানায়, উপাচার্য নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণের পর বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছেন—এমন দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়নি এবং কাউকে এভাবে নিয়োগও প্রদান করা হয়নি।
কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রায় এক যুগ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর উল্লেখযোগ্য কোনো নিয়োগ হয়নি। ফলে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে কর্মচারীর সংকট তৈরি হয়েছে। এ কারণে বিভাগ ও দপ্তর প্রধানরা নিজেদের ব্যবস্থাপনায় নামমাত্র হাজিরা ভিত্তিতে কিছু লোকের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।
এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রশাসনের সময় ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত হাজিরা ভিত্তিক পারিশ্রমিকে কিছু ব্যক্তিকে দিয়ে দাপ্তরিক কাজ করানো হয়। কাজ করলে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়, না করলে দেওয়া হয় না এবং তাদের কোনো বোনাসও দেওয়া হয় না। ফলে এটিকে নিয়োগ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের ন্যূনতম সেবা সচল রাখতে বিভাগীয় প্রধানদের সুপারিশের ভিত্তিতে সীমিত সংখ্যক ব্যক্তিকে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর কাছে বাজেট চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে যে অসম্মানজনক মন্তব্যসহ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়





