‘নতুনকুড়ি স্পোর্টসকে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে সংযোগ করব’; ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ইবি প্রতিনিধি:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সিলেট থেকে একযোগে সারা বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন করেছেন। উদ্বোধনের পর থেকে প্রত্যেকটি জেলা স্টেডিয়ামে আমাদের আটটি ইভেন্টকে শুরু করেছি। জেলা পর্যায়ের খেলা, বিভাগীয় পর্যায়ে শেষ করে জাতীয় পর্যায়ে সুন্দরভাবে সফলভাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’কে টুর্নামেন্টকে শেষ করব। আমরা ইউনিয়ন থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা, জেলা, বিভাগ, তারপরে আমরা জাতীয় পর্যায়ে শেষ করব।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনাব তারেক রহমান ইতিমধ্যে বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে ক্রীড়া ভাতার আওতায় এনে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ ক্রীড়া কার্ড ৩০০ জনকে প্রদান করা হয়েছে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করবো। খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার আরেকটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলাধুলার আয়োজন। আমরা পরিকল্পনা করেছি যে পাবলিক ইউনিভার্সিটি থেকে শুরু করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোতে বিভিন্ন স্পোর্টস রিলেটেড সাবজেক্টগুলোকে ইনক্লুডিং করার মাধ্যমে খেলাধুলাকে পড়াশোনাতেও যেন আনতে পারি।
তিনি আরও বলেন, আগামীতে উপজেলা পর্যায়ে ৪৯৫টি উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ করব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে প্রতিটি স্কুলে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে হাই স্কুল সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছি। সেখানেও যারা স্পোর্টস নিয়ে পড়াশোনা করছেন বা স্পোর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে জড়িত রয়েছে তাদেরকে নিয়োগ দেয়া হবে। আমরা প্রতিটি উপজেলায় বিষয়ভিত্তিক ওই ক্রীড়া অফিসারের অধীনে প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক ক্রীড়া শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. নকীব এম নসরুল্লাহ সভাপতিত্বে গার্ড অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও জনাব মো: আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এম ইয়াকুব আলী ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম।
প্রসঙ্গত, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স (ছাত্র-ছাত্রী) ও বাস্কেটবল (ছাত্র) ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ৩০ টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে থেকে ৬ মে পর্যন্ত।
