রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতায় লিপ্ত শিক্ষকদের চিহ্নিত করতে শাবিপ্রবিতে তদন্ত কমিটি গঠন

Spread the love

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতায় লিপ্ত শিক্ষকদের চিহ্নিত করতে শাবিপ্রবিতে তদন্ত কমিটি গঠন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রাখার অভিযোগ তদন্তে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ সলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষকের রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এসব সংবাদ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শাবিপ্রবির কোনো শিক্ষক এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম। সদস্যসচিব করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ সলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদিরকে।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, গণিত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ উদ্দিন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল ফজল মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করবে কমিটি। তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করবে তদন্ত কমিটি।

এদিকে বিগত সরকারের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে শাবিপ্রবির কোনো শিক্ষক প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের হুমকি, হয়রানি বা নিপীড়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে।

অফিস আদেশে কমিটিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর আলোকে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পথ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *