২০২১ সালের মার্চে মোদী-বিরোধী আন্দোলন;২১ জন শহীদ;অগণিত গ্রেফতার ও এর রাজনৈতিক প্রভাব।

Spread the love
FacebookWhatsAppTelegramThreadsCopy Link

২০২১ সালের মার্চে মোদী-বিরোধী আন্দোলন;২১ জন শহীদ;অগণিত গ্রেফতার ও এর রাজনৈতিক প্রভাব।

আন্দোলনের সূচনা
১৯ মার্চ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-এর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে মোদী-বিরোধী কর্মসূচি শুরু হয়। ২৪ ও ২৫ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ছাত্র সংগঠনগুলোর উদ্যোগে কর্মসূচি ও বিক্ষোভ পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। এ সময়
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ,
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন এবং
বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী
মিছিল ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করে।

গ্রেফতার ও সংঘর্ষের ঘটনা
২৫ মার্চ ঢাকার শাপলা চত্বর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল থেকে ধর্মীয় বক্তা
রফিকুল ইসলাম মাদানী-কে গ্রেফতার করা হয়।
২৬ মার্চ জুমার নামাজের পর
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। একই দিনে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, লালখান মাদ্রাসা এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায়ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ভূমিকা
২৭ ও ২৮ মার্চ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ
বিক্ষোভ ও হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করে। ২৯ মার্চ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
হরতাল আহ্বান করলে দেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

দমন-পীড়ন ও গ্রেফতার অভিযান
আন্দোলনের পরপরই বিরোধী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক গ্রেফতার অভিযান শুরু হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বহু ব্যক্তিত্ব, যেমন
মামুনুল হক এবং
নুরুল হক নুর-সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের আটক করা হয়। অনেক কর্মী নিরাপত্তাজনিত কারণে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হন বলে দাবি করা হয়।

আন্দোলনের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব
আন্দোলনের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। আন্দোলন-পরবর্তী সময় জুড়ে বিভিন্ন স্থানে গ্রেফতার, মামলা ও নজরদারির অভিযোগ সামনে আসে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে।
-মোহাম্মদ সজল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *