দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, রাজপথে ধারাবাহিক উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে তানভীর আনজুম খানকে যথাযথ মূল্যায়নের দাবি উঠেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে।নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আনজুম খান দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতির মাঠে সক্রিয় রয়েছেন বলে তার সহকর্মীরা জানান। তাদের ভাষ্য, বিভিন্ন সময়ে প্রতিকূল পরিস্থিতি, হামলা ও নির্যাতনের মুখোমুখি হলেও তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও রাজপথের আন্দোলন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেননি।২০১৮ সালের বহুল আলোচিত নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে তানভীর আনজুম খান সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন বলে তার সহকর্মীরা জানান। আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় অবস্থানরত সময় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও তিনি আন্দোলন থেকে সরে না গিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন বলে তারা দাবি করেন।পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনেও তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল বলে ঘনিষ্ঠরা জানান। তাদের দাবি, ২৪ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত মিরপুর, আগারগাঁও ও কাজীপাড়া এলাকায় আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি মাঠে ছিলেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তার ধারাবাহিক উপস্থিতিকে তারা রাজনৈতিক দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক নিষ্ঠার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।শুধু আন্দোলন-সংগ্রাম নয়, সাংগঠনিক ও নির্বাচনী কর্মকাণ্ডেও তানভীর আনজুম খানের সক্রিয়তার কথা তুলে ধরেছেন তার সহকর্মীরা। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজ এলাকার নির্বাচনী আসনে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন বলে তাদের দাবি।সমর্থকদের মতে, রাজপথের আন্দোলন থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড—দুই ক্ষেত্রেই তানভীর আনজুম খান দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। মাঠপর্যায়ে কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সক্রিয় থাকা এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে তারা মনে করেন।এ কারণে আগামী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তানভীর আনজুম খানকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কর্মী-সমর্থকরা। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় নিয়ে তার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।কর্মী-সমর্থকদের ভাষায়—“যারা কঠিন সময়ে রাজপথ ছেড়ে যাননি, নেতৃত্বের মূল্যায়নের সময় তাদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক অবদানকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”ত্যাগের রাজপথে যারা ছিলেন, নেতৃত্বের মঞ্চেও তাদের মূল্যায়ন হোক—এটাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কর্মী-সমর্থকদের প্রত্যাশা।
ত্যাগের রাজপথ থেকে নেতৃত্বের মঞ্চ—তানভীর আনজুম খানকে যথাযথ মূল্যায়নের দাবি
